রিসোর্স লাইব্রেরি
ব্লগসম্পর্ক ও অভিভাবকত্ব· 2 min read

প্যারেন্টিং স্টাইল

৬ বার দেখা হয়েছে২৪/৭/২০২৬

সন্তান জন্মের পর বাবা-মা যেভাবে তাকে বড় করে তোলেন, তাকে বলা হয় প্যারেন্টিং। এই প্যারেন্টিংয়ের বিভিন্ন ধরনের স্টাইল আছে। প্রায়ই শোনা যায়, বাবা-মায়ের একজনকে নরম আর একজনকে শক্ত হতে হয়; দুজনই যদি বাচ্চার সাথে কঠোর আচরণ করেন, তা বাচ্চার জন্য কষ্টকর। এটিও এক ধরনের স্টাইল।

প্যারেন্টিংয়ের কয়েকটি ধরন:

১। অথোরিটেরিয়ান প্যারেন্টিং: "আমি যা বলেছি বাচ্চা তাই করবে।" আমি বলেছি এখন খেলা যাবে না, বই নিয়ে বসতে হবে—মানে ঠিক তাই করতে হবে। মোট কথা, আমার কথামতো চলতে হবে।

২। অথোরিটেটিভ প্যারেন্টিং: আমি বাচ্চাকে খেলা বন্ধ করতে বললাম, সে বলল "আর ৫ মিনিট।" আমি বললাম, "ঠিক আছে, ৫ মিনিট পর পড়তে বসবে।" অর্থাৎ আমি নিয়মও তৈরি করলাম, আবার বাচ্চার আবেগটাও খেয়াল করলাম।

৩। ওভার-প্রোটেক্টিভ প্যারেন্টিং: আমার বাচ্চা ক্লাস টেনে পড়ে, কিন্তু এখনো নিজের হাতে ভাত খেতে পারে না—আমি খাইয়ে দিই; নিজের কাপড় ভাঁজ করতে পারে না—আমিই করে দিই; রাতে একা ঘুমাতে পারে না। "একটাই তো বাচ্চা, একটু বেশি আদর করি।" এর মানে, যে বয়সে যে কাজ করার কথা তা আপনি তাকে করতে দিচ্ছেন না—আদরের নামে তাকে স্বাবলম্বী হতে দিচ্ছেন না।

৪। আন-ইনভলভড প্যারেন্টিং: "বাচ্চাকে তার মতো ছেড়ে দিয়েছি, সময় হলে সব শিখে নেবে।" এখানে আপনি তার আবেগীয় প্রয়োজন বা কী দরকার তার খোঁজ নিচ্ছেন না।

প্রতিটি স্টাইল বাচ্চার মানসিক অবস্থার ওপর ভিন্ন ভিন্ন প্রভাব ফেলে। এবার ভেবে দেখুন, আপনি সন্তানের জন্য কোনটি অনুসরণ করেন এবং তার মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক আছে কি না।