ব্লগসচেতনতা ও সমাজ· 2 min read
বুলিংয়ের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়
৭ বার দেখা হয়েছে২৪/৭/২০২৬

বর্তমান সময়ে খুব প্রচলিত একটি শব্দ বুলিং, যা প্রায়ই ঘটছে কর্মক্ষেত্রে, স্কুলে, পাড়া-প্রতিবেশীর মধ্যে, দোকানে বা খেলার মাঠে। কাউকে জোরপূর্বক বাজে কথা ও আচরণ দিয়ে বা তার পছন্দের কোনো জিনিস নষ্ট করে কষ্ট দেওয়াকে বুলিং বলে।
বুলিং সাধারণত ৪ ধরনের হয়:
- বাচনিক বুলিং: বাজে ভাষা বা বাজে নামে ডাকা।
- সামাজিক বুলিং: দলবদ্ধভাবে কাউকে হেয় করা।
- সাইবার বুলিং: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাজে মন্তব্য, গোপন ভিডিও বা পোস্ট দিয়ে হেনস্তা করা।
- শারীরিক বুলিং: শারীরিক আঘাত দিয়ে কষ্ট দেওয়া।
বুলিংয়ের খারাপ পরিস্থিতি থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন যেভাবে:
- প্রথম কাজ হবে ঊর্ধ্বতন কারো কাছে রিপোর্ট করা।
- খারাপ লাগা দূর করতে নিজের কাছের মানুষের সাথে শেয়ার করা।
- বাবা-মা হিসেবে সন্তানকে দোষারোপ না করে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা ও তার কষ্ট বিবেচনা করা।
- যে পথে বুলিং হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তা এড়িয়ে চলা।
- নিজেকে ভালোবাসা: অনেক সময় শারীরিক বৈশিষ্ট্য (যেমন কালো, বেঁটে, টাক) নিয়ে বুলিং করা হয়। এমন হলে বুলিকারীর চোখে চোখ রেখে বলা যে "আমি এমনই এবং এটাকে আমি ভালোবাসি"—এটি খুব স্বাভাবিক।
- সাইবার বুলিংয়ের ক্ষেত্রে আইনের সহায়তা নেওয়া।
- প্রয়োজনে একজন মনোবিজ্ঞানী বা পেশাদারের সাহায্য নেওয়া।





