ব্লগডিজিটাল সুস্থতা· 2 min read
স্ক্রিন আসক্তি কমানোর ১০টি উপায়
৮ বার দেখা হয়েছে২৪/৭/২০২৬

আজকাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেওয়া মানুষের সংখ্যা কম নয়। স্ক্রিন আসক্তির কারণে অনেকের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই জানি না, এ আসক্তি থেকে বেরোনোর উপায় কী?
- নিজের আসক্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়া ও সমস্যা মেনে নেওয়া: স্ক্রিন টাইম ট্র্যাক করুন এবং এর ফলে সৃষ্ট শারীরিক (চোখে চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত), মানসিক (উদ্বেগ, মেজাজের ওঠানামা) ও সামাজিক (কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ কমা) সমস্যাগুলো চিহ্নিত করুন।
- পরিষ্কার লক্ষ্য স্থাপন করুন: কাজ, অবসর ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ বিবেচনা করে আপনার জন্য যুক্তিসঙ্গত স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ করুন।
- পরিষ্কার সীমানা সেট করুন: স্ক্রিন-মুক্ত সময় রাখুন (যেমন ঘুম থেকে ওঠার প্রথম ঘণ্টা ও ঘুমানোর আগের শেষ ঘণ্টা), বেডরুম ও ডাইনিং টেবিলকে স্ক্রিন-মুক্ত রাখুন এবং প্রতি ঘণ্টায় ৫–১০ মিনিট বিরতি নিন।
- স্বাস্থ্যকর ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি করুন: ডিভাইস হাতের নাগালের বাইরে রাখুন, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ডিলিট করুন এবং অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন।
- অনলাইন ও অফলাইনের ভারসাম্য রাখুন: মুখোমুখি সংযোগ ও বাস্তব মিথস্ক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিন; পড়া, পেইন্টিং, বাগান করার মতো অফলাইন শখে সময় দিন।
- একটি রুটিন তৈরি করুন: ইমেল ও সোশ্যাল মিডিয়া চেক করার জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন।
- শিশুদের জন্য নির্দেশিকা সেট করুন: অভিভাবক হলে সন্তানের স্ক্রিন টাইমের স্পষ্ট সীমা রাখুন এবং বাইরের খেলায় উৎসাহ দিন।
- জানতে থাকুন: অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের প্রভাব সম্পর্কে যত বেশি জানবেন, সমস্যা সমাধান তত সহজ হবে।
- নিয়মিত পুনর্মূল্যায়ন করুন: নিজের স্ক্রিন টাইম অভ্যাস পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী কৌশল সামঞ্জস্য করুন।
- পেশাদারের পরামর্শ নিন: স্ক্রিন আসক্তি জীবনকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করলে মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ বিবেচনা করুন।





